Amar Akbar Anthony full movie explanation and watch.

Movie News

অমর আকবর এন্টোনি একটি মার্ডার থ্রিলার মুভি। চলুন দেখে নেওয়া যাক এই মুভির ডিটেইলসঃ

Storyline:

নিউইয়র্কে সেট করা, অমর আকবর অ্যান্টনি হল অমরের অ্যাকশন-প্যাকড গল্প, একজন মানুষ প্রতিশোধ নেওয়ার মিশনে। তার প্রয়োজনীয় সমস্ত অস্ত্র এবং সংস্থান রয়েছে, তবে একটি জিনিস যা প্রায়শই বাধা সৃষ্টি করে তা হল তার মস্তিষ্ক। তিনি জানেন না যে তিনি মাল্টিপল পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে ভুগছেন, যার কারণে কিছু বিশেষ ট্রিগার আরও দুটি পরিচয়ের উত্থান ঘটায়, আকবর এবং অ্যান্টনি। তিনি পূজার সাথে দেখা করেন, প্রথমে আকবর এবং তারপর ডাঃ অ্যান্টনি হিসাবে, শুধুমাত্র বুঝতে পারেন যে তিনিও একই ব্যাধিতে ভুগছেন। ইতিমধ্যে, টার্গেট করা ব্যবসায়ীদের একজন পুলিশ সতর্ক করে দেয় যারা দ্রুত সত্যের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। —Prashast Singh

Details:

Directed bySrinu Vaitla
Screenplay bySrinu Vaitla
Story bySrinu Vaitla
Vamsi Rajesh Kondaveeti
Produced byNaveen Yerneni
Y. Ravi Shankar
Mohan Cherukuri
StarringRavi Teja
Ileana D’Cruz
Vikramjeet Virk
Abhimanyu Singh
Narrated bySrinu Vaitla
CinematographyVenkat Dileep Chunduru
Edited byM. R. Varma
Music byS. S. Thaman
Production
company
Mythri Movie Makers
Distributed byEros International
Release date16 November 2018[1]
Running time153 min[2]
CountryIndia
LanguageTelugu
Box officeest. ₹30 crore[3]

Explanation

মুভির শুরুতেই দেখানো হয় আমেরিকার একটি জেলখানা। যেখানে এই মুভির নায়ক রয়েছে। যে আজকে জেল থেকে মুক্তি পাবে। সেখানে জেলখানার আরেকজন কয়েদি তার বোন ন্যান্সির ছবি দেখিয়ে অমর কে বললো তাকে যেন কিছু টাকার ব্যাবস্থা করা দেয়। জেলখানার কর্মকর্তারা তাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যেন সে খারাপ কাজ আর কখনো না করে। কিন্তু অমর এসব কিছুতেই কান দিচ্ছেনা। অমরের কথা বার্তা চালচলন কেমন যেন অদ্ভুত ছিলো। অমর জেল থেকে বের হয়েই একজনের পেছনে গোয়ান্দাগিরি শুরু করে। যার নাম রাজবীর। একদিন অমর রাজবীরের এপার্টমেন্টে ঢুকেছে। তারপর দেখানো হয় রাজবীর খাবার খাচ্ছে। খাবার খাওয়ার পর রাজবীর ছটফট শুরু করে দেয়। কারন অমর তার খাবারে কিছু একটা মিশিয়েছে। অমর রাজবীরের কাছে যায় এবং তার আংটি ফেরত চায়, ফ্লাশব্যাক এ তাদের ছোট বেলার দৃশ্য দেখানো হয় যেখানে অমর, রাজবীর কে সেই আংটি টা দিয়েছিলো। এরপর অমর যাওয়ার সময় রাজবীরের পায়ে একটি ইনজেকশন দিয়ে যায় যাতে তাকে ডক্টররা যখন এন্টি ইনজেকশন দেয় তখন রাজবীর মারা যায়। তখন একজন ইনভেস্টিগেটর পুলিশ এসে লক্ষ করে যে রাজবীরের পায়ে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে।

এখন জেনে নেই, কেন অমর, রাজবীর কে খুন করলো? কি এমন হয়েছিলো অতিতে? আসলে অমরের বাবা ও তার বাবার এক বন্ধু ছিলো ফিডো ইন্ড্রাসট্রিস এর মালিক। অমরের বাবা ও তার বাবার বন্ধুর মধ্যে ছিলো খুব ভালো সম্পর্ক। তার বাবার বন্ধুর একটা মেয়ে ছিলো যার নাম ছিলো এশ্বরিয়া, তারা চাইতো তাদের বন্ধুত্বটা যেন আত্বীয়তে পরিনত হয়। তাদের কোম্পানিতে কিছু ইমপ্লোয়ী ছিলো। যাদের মধ্যে ২ জন ইমপ্লোয়ীর কাজ দেখে তারা তাদেরকে কোম্পানীর ২০% শেয়ার দিয়ে পার্টনার করে নেয়। আর এটাই ছিল অমরের বাবার ও তার বাবার বন্ধুর সবচেয়ে বড় ভুল। কারন ওই ২ ইমপ্লোয়ীর ২০% শেয়ার দিয়ে হয়নি। তারা চায় ১০০% শেয়ার।

একদিন অমরের জন্মদিন পালন করা হয়। এদিনেই অমর সবাইকে আংটি উপহার দিয়েছিলো। কিন্তু এই দিন টিই হয় তাদের জন্য কাল। অমর কোনো এক কারনে বাসা থেকে বাইরে এসেছিলো। অশ্বরীয়াও কোনো এক কারনে বাসার বাইরে ছিলো। কিন্তু অমর বাইরে আসার পরেই পিছে ফিরে দেখে তাদের বাড়িটিতে বোমা ফেটেছে। সব কিছু ধংস হয়ে গেছে। তাদের বাবা মা সহ সবাই মারা গেছে। এই ছিলো পুরোনো ঘটনা। এখন আসি বর্তমান সময়ে।

করোন আরোরা, রাজবীরের মৃত্যুতে চিন্তিত। কে তাকে মারলো। কে সেই অজানা আগুন্তুক। তারা তাদের সমস্ত শত্রুদের লিস্ট বের করে এক এক করে মারতে শুরু করে। কারন তারা ভাবে, তাদের জীবন সংকোটে রয়েছে। সবাইকে মারা হয়ে গেলে বাকি থাকে অমর। তারা জেলখানায় খোজ নিয়ে অমরের কোনো খোজ পায়না।

এদিকে অমর যেন আর অমর নেই। সে নিজেকে আকবর বলে পরিচয় দেয়। এদিকে করোন আরোরা, অমর কে খুজতে থাকে। সে কেমন দেখতে তাও কেও জানেনা। সে কোথায় থাকে কিছুই তাদের জানা নেই। আসলে ওমরের মধ্যে একটি ক্যারেক্টার সমস্যা রয়েছে। সে ভিন্ন ভিন্ন ৩ টা ক্যারেক্টারে থাকে। অমর আকবর এবং এন্টোনি। সে এখন আকবর ক্যারেক্টারে রয়েছে। এসময় তার সাথে সিনেমার নায়িকা পুজার দেখা হয়। জানিয়ে রাখা ভালো যে পুজার মধ্যেও রয়েছে সেইম ক্যারেক্টার সমস্যা। পুজাও ভিন্ন ভিন্ন ২ টি ক্যারেক্টারে থাকে। যা মুভি সম্পুর্ন দেখলে বুঝতে পারবেন।

অমর এখন বিক্রম নামে এক ভিক্টিমের সামনে রয়েছে। বিক্রমের পাশে বোম ব্লাস্ট করিয়ে তার পাশে থাকা অন্য লোকেদের সে সরিয়ে দেয়। তারপর বিক্রমের পিছু করে। এবং এক পর্যায়ে বিক্রম কে মেরে ফেলে। সেখানে সেই ডিটেক্টর এসে দেখে বিক্রমের হতের আংটিও নেই। সে বুঝে যায় মার্ডারের সংগে আংটির একটা সম্পর্ক রয়েছে।

ব্লাস্ট এর আওয়াজ শুনলে সে অমর হয়ে যায়। কাচ ভাঙারআওয়াজে সে আকবর হয়ে যায়। আর কোনো মানসিক প্রতিবন্ধী মানুষ দেখলে সে ডক্টর এন্টোনি হয়ে যায়। অমর নিজেও জানেনা হটাৎ করেই তার জীবন থেকে ১-২ দিন মিস কিভাবে হয়ে যায়। বা কিছু সময় গায়েব কিভাবে হয়ে যায়। এজন্য সে ববি নামে একজনকে তার দেখাশোনার জন্য রাখে। এদিকে ববি আসার পর অমরের এসব কাহিনি দেখে সে নিজেই পাগল হয়ে যায়।

চলুন জেনে নেই কেন অমরের এরকম ক্যারেক্টার চেঞ্জ হয়? এটা এক্সপ্লেইন করে আসল ডক্টর এন্টোনি। সে ডিটেক্টর কে বলে যে একদিন সে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো এমস সময় ২ জন ছেলে মেয়ে কে বসা দেখতে পায়। তাদেরকে অসহায় লাগছিলো কিন্তু জামা কাপর দেখে বোঝা যাচ্ছিলো তারা সম্ভ্রান্ত পরিবারের। তাই তাদেরকে ডক্টর এন্টোনি এনে আশ্রয় দেয়। এরপর ডক্টর খেয়াল করেন যে অমর তার মতো আচরন শুরু করেছে। এই সমস্যা টি সে অশ্বরীয়ার মধ্যেও দেখতে পায়। একদিন এক ছেলে আসে অমর ও অশ্বরীয়া কে মারতে। সে আগুন লাগিয়ে দেয় অশ্বরীয়ার গায়ে৷ কিন্তু আসলে আগুন লেগেছিলো অন্য একটি ছেলের গায়ে। সবাই ভাবে যে অশ্ব্রীয়ার গায়ে লেগেছে। অমর ওই ছেলের পিছু নেয় এর পরে আর কখনো ফিরে আসেনা। আর এদিকে অশ্বরীয়ার চাচা অশ্বরীয়াকে নিয়ে গিয়ে লুকিয়ে ফেলে।

বর্তমার সময়ে অমর গিয়েছে বন্দুক কিনতে ববিকে সাথে নিয়ে। কিন্তু গ্লাস ভাঙার আওয়াজে সে অমর থেকে হয়ে যায় আকবর। সে এসময় ববিকে চেনেনা। এসময় আবার বন্দুক টেস্ট এর জন্য ফায়ার করা হলে অমর আবার আকবর থেকে অমর হয়ে যায়। তারপর সে ববিকে ছারিয়ে নিয়ে যায়। সে আজ আরেকজনকে মারবে। সে স্নাইপার রেডি করে। টার্গেট লক করে। কিন্তু এসময় নিচে থাকা এক মানসিক প্রতিবন্ধী কে দেখে সে আবার ডক্টর এন্টোনি হয়ে যায়৷ সে মারতে পারেনা। কিন্তু তার কাছে প্লান বি রেডি করা ছিলো। সে এমন একটি প্লান করে রেখেছিলো যে, অন্য একজন খেলার ছলে রিমোট কন্ট্রোল স্নাইপার দিয়ে সাবুকে মেরে ফেলে। কিন্তু সে জানেও না সে আসল খুন করে ফেলেছে। ডিটেকটর তাকে ধরে ফেলে এবং অনেক টরচার করে অমরের ব্যাপারে জানতে পারে।

এরপর আসে করোন আরোরার পালা। আরোরা জেনে যায় যে অমর, অশ্বরীয়া ও তার চাচা বেচে আছে। সে অশ্বরীয়ার চাচাকে ধরে আনে এবং অশ্বরীয়াকে ফোন করে বলে যে তার চাচা এক্সিডেন্ট করেছে। তাকে একটা যায়গায় যেতে বলে। এদিকে তারা অমরের নাম্বারে কল দিয়ে তাকে ডিরেক্ট এক যায়গায় আসতে বলে মারবে জন্য। আর অশ্বরীয়া ও তার চাচাও সেখানে আছে এগুলো বলে। অমর সেখানে চলে যায় সে সবার সাথে অনেক মারপিট করে। কেও তার সাথে পেরে ওঠেনা। এরপর আরোরা কে মারতে গেলে সে বলে তার কিছু হলে অশ্বরীয়া তাদের কবজায় আছে। তাকেও মেরে ফেলবে৷ অমর কিছু না শুনেই আরোরাকে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলে। কারন অশ্বরীয়ার যায়গায় আরোরা ভুল করে অন্য একজনকে নিয়ে এসেছিলো।

মুভির শেষ পর্যায়ে দেখানো হয় কোর্ট এ অমরের বিচার হচ্ছে। এসময় অমরের অসুস্থতা ও ক্যারেক্টার চেঞ্জ এর কথা বিবেচনা করে ও ডিটেক্টরের কথার ওপর ভিক্তি করে অমরকে নির্দোষ বলা হয়। এসময় ডিটেকটর কে তার স্বাথী যখন জিজ্ঞেস করে সে কেন অমরের পক্ষ নিলো তখন ডিটেকটর বলে যে আমি যেই খুন করেছি ও তা বলেছি তা অমর ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছে, আমি ওর পক্ষ না নিলে সে এসব ভাইরাল করে দেবে। তাই তার পক্ষ নিয়েছি। এভাবে মুভি শেষ হয়।

সম্পুর্ন মুভি দেখুন এখানে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *